• Connect Us

  • Share Us

 | 

Education

মগ ডালে যখন বানর সভ্যতা = আধুনিক সভ্যতা

জাতিবোধ আর জাতিভেদ এ দুটি বিষয়  নিয়ে আধুনিক সভ্যতা এখনো বাঁদরামি করে চলছেন। আধুনিক শিক্ষা জাতিবোধ কে ই  জাতিভেদ বলে দাগ কেটে দিয়েছে। পৃথিবীর জনগোষ্ঠী ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক কারণে বিচিত্র রকম হয়ে থাকে শুধুমাত্র সমগ্র পৃথিবীর কথা ই নয় একটা ক্ষুদ্র দেশ বা অঞ্চলের মধ্যেও বিচিত্রতা রয়েছে আর পক্ষান্তরে এই বিচিত্রতা কে উপেক্ষা করা ই  হলো প্রাকৃতিক নিয়ম কে উপেক্ষা করা। ৫০০ থেকে হাজার বছর ধরে একটি জাতি বা গোষ্ঠী কিংবা সম্প্রদায় যে জলবায়ু , খাদ্য অভ্যাস , যে সাহিত্য , সংস্কৃতি ,আবেগ ও আদর্শ কে চরিতার্থ করে কিংবা  নিজেদের কে অভিযোজিত করে  যেভাবে আজ  অভিব্যক্ত হয়েছেন সেগুলো কে শিক্ষার দ্বারা সংস্কার করা গেলেও সেই স্বভাব ও মনস্তত্ব কে একটি জেনারেশনের কোর্সের মধ্যে আপনার নিজের মতো করে পাল্টাতে পারবেন না আর সেটা পারলেও তা তাদের কাছে প্রকৃতি বিরুদ্ধ আর এই প্রকৃতি বিরুদ্ধ অবস্থা বা অবদমিত মানসিক অবস্থা নিয়ে খুব বেশি দিন ভালো থাকা যায়না। এই সমাজ বিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞান কে আধার করে আমাদের ভারতেই কিচু প্রাচীন শাস্ত্রে বিবাহবন্ধনের কিছু ইন্সট্রাকশন কে মান্যতা দেওয়া হয়েছে যার উদেশ্য হলো একটি সুস্থ ও স্থায়ী সম্পর্ক তৈরী করা। বিগত ৫০০ বছর ধরে যে  সম্প্রদায় শামুক খেয়ে , সাপ খেয়ে অভিযোজিত হয়েছে , তাদের জেনেটিক প্যাটার্ন যে ভাবে গঠিত হয়েছে তা আপনার থেকে অবশ্যই ভিন্ন হতে পারে আর হবেও  , তবে এই ভিন্নতা কে অস্বীকার করা নিশ্চই আধুনিক শিক্ষাহওয়া উচিত নয় , মানুষের আদি রূপ যদিও বানর , তবে সেই বানর উঁচুতে গেলেই আধুনিক হয়ে যেতে পারেনা। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও এটাই সত্যি যে যতই উপরে ওঠা যায় বাঁদরামি করতে খুব সুবিধে হয় , কেউ তো  ডিস্ট্রাব করতে পারেনা ,তাই বানর ওঠে মগ ডালে। মগ ডালে উঠে বানর তার গাছের গোড়া ভুলে যায় , গাছের গোড়া কে মনে রাখতে পারলে এতো দূরে বা উঁচুতে উঠে দুস্টুমি করতো না। তদ্রুপ এই অবাধ দুস্টুমি আর যৌনতা কে উস্কানি দেয় এই তথাকথিত আধুনিক শিক্ষা। মগ ডালে যখন বানর সভ্যতা = আধুনিক সভ্যতা ।   যৌনতার চশমায় শামুক ,সাপ , ছুঁচো খাওয়া কিশোরী হয়ে যায় কৃষ্ণকলি তবে চশমা ঢিলে হয়ে গেলে আধুনিক শিক্ষার সার্টিফিকেট ও পারেনা সেই অভেদ দৃষ্টি টিকিয়ে রাখতে। লক্ষ লক্ষ প্রতিশ্রুতি পায়না বিবাহ , লক্ষ লক্ষ  ভ্রূণ নর্দমায় জঙ্গলে ফেলে রাখে আমাদের আধুনিক শিক্ষা। গোষ্ঠী ভিত্তিক ,জাতি ভিত্তিক ,সম্প্রদায় ভিত্তিক এমন কি বর্ণ ভিত্তিক বিবাহ একরকম  মন বিজ্ঞান সম্মত, গোষ্ঠী বা শ্রেণী সর্বোচ্চ ভাবে তার মনস্তত্ব কে বুঝতে সাহায্য করে তবে অবশ্যই ব্যতিক্রম আছে কিন্তু সেই ব্যতিক্রম অনুসরণীয় নয় । যেমন - একজন ভারতীয় - বাঙালি উৎসব প্রিয় ,খাদ্য প্রিয় , দূর্গা পূজা তার একটা বিশেষ আবেগ ,লোন করেও হলে ও দূর্গা পুজো তে শাড়ি কাপড় চাই ই চাই কিন্তু একজন ভারতীয় - মাড়োয়ারি সেই খবর পড়াশুনার মাধ্যমে জানতে পারলে ও একজন বাঙালির এই উৎসব অনুভূতির উপলব্ধি হতে পারেনা। মানুষ হিসেবে সবাই সমান ,অধিকার সমান কিন্তু আবেগ অনুভূতি সমান নয়। যৌনতা যেখানে সেখানে যার তার সাথে সফল হতে পারে কিন্তু ন্যূনতম আবেগ ,অনুভূতি তে যদি মিল না থাকে তবে সেই মেল্ ট্রেন বেশি দূর এগোতে পারেনা। বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে গেলে পাত্রপাত্রীর পটভূমি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেক্ষেত্রে শ্রেণীগত ও গোষ্ঠীগত প্যাটার্ন আমাদের কে তাদের সাইকোলজি জানতে সাহায্য করে কিন্তু তাদের কে ঘৃণা করতে উৎসাহিত  করে না , কিন্তু আধুনিক শিক্ষিতেরা অতি ভালোবেসে গলায় ঝুলিয়ে নিচ্ছেন পরে আবার দেখা যাচ্ছে তাদের কেউ কেউ  গলায় দড়ি নিচ্ছে।  সম-দৃষ্টি দেবেন কিন্তু কু- দৃষ্টি দেবেন না। যৌনতার অছিলায় বিবাহ করবেন না। প্রশ্ন আনতে পারেন, তাহলে ভালোবাসা কি পাপ ? মোটেই পাপ নয় ভালোবাসা এমনকি স্বেচ্ছা যৌনতা ও পাপ নয় কিন্তু সেই চাষের ফসল ভ্রুন  নষ্ট করা পাপ , প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে কারো ক্ষতি আর প্রতারণা করা পাপ। সাপ -ব্যাঙ ভূক আদিবাসী কিশোরী কে বিয়ে করতে যাচ্ছেন আর মনে মনে আপনি ভাবছেন কি মহান কাজ আপনি করছেন যে আপনি জাতি শ্রেণীর তোয়াক্কা করেন না , কিন্তু উচ্চ শিক্ষিত বলে আপনি তার লাইফ স্টাইল কে হয়তো  সমর্থন করছেন মাত্র  তবে তাকে সহ্য করতে পারবেন তার কি নিশ্চয়তা তাকে দিচ্ছেন ? সমর্থন করা আর তাকে সহ্য করা একই বিষয় নয়। তাদের মতো কিছুদিন সাপ -ব্যাঙ খেয়ে আগে সহ্য করুন , আপনার পাকস্থলী , লিভার , ব্রেন , সোসাইটি  সব যখন সহ্য করতে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে তখন ই ` সেইআদিবাসী - কিশোরী কে আপনি সারাজীবন সহ্য করতে পারবেন বলে অন্তত  ভাবতে পারেন তার আগে নয়  , শুধুমাত্র উচ্চ শিক্ষার তাত্ত্বিক সার্টিফিকেট শ্রেণীগত ,গোষ্ঠিগত মনস্তত্ব কে সহ্য বা গ্রহণ করতে সমর্থ নয়। মগ ডালে উঠে যা পাওয়া যাবে তাই খেলে হয়না ,যেটা হজম করা যাবে সেটা বিবেচনা করে পাত্রী পাত্র গ্রহণ করা দরকার , আর বৈজ্ঞানিক ভাবে এটাই সত্য যে আপনার জীবনের গোড়া এ আপনার হজম শক্তি কে প্রভাবিত করে। 

leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Your Name (required)

Email (required)

This email is not valid

Mobile No (required)

Thanks for commentining us.

Some issue during.......